Gulfzi Header - Redesign

প্রবাসে মৃত্যু হলে লাশ দেশে পাঠানোর প্রসেস ২০২৬

📅 সর্বশেষ হালনাগাদ: আগস্ট ২০২৬
⚡ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রবাসে কারো মৃত্যু হলে প্রথমেই নিয়োগকর্তা ও পুলিশকে জানাতে হয়, এরপর দূতাবাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে লাশ দেশে পাঠানো বা স্থানীয়ভাবে দাফনের ব্যবস্থা করা যায় — দূতাবাস এই কঠিন সময়ে পরিবারকে সহায়তা করে।

মৃত্যুর পর প্রাথমিক করণীয়

হাসপাতাল/পুলিশ থেকে মৃত্যু সনদ (Death Certificate) সংগ্রহ করুন
নিয়োগকর্তা বা কফিলকে অবিলম্বে জানান — তারা প্রাথমিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে
দূতাবাস/কনস্যুলেটের কল্যাণ (Welfare) উইংয়ে যোগাযোগ করুন
পরিবার লাশ দেশে পাঠাতে চাইলে নাকি স্থানীয়ভাবে দাফন করতে চাইলে তা দূতাবাসকে জানান

লাশ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • মৃত্যু সনদ (আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায়)
  • পাসপোর্ট ও ইকামা
  • দাফন/এম্বামিং অনুমতিপত্র
  • নিয়োগকর্তার নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC)
  • পরিবারের সদস্যদের সম্মতিপত্র

খরচ কে বহন করে

পরিস্থিতি খরচের দায়িত্ব
কর্মরত অবস্থায় স্বাভাবিক/দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগকর্তা দেশে লাশ পাঠানোর খরচ বহন করতে বাধ্য
ব্যক্তিগত/পারিবারিক কারণে দূতাবাসের কল্যাণ তহবিল থেকে সীমিত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে
⚠️ নিয়োগকর্তা খরচ বহনে অস্বীকৃতি জানালে সাথে সাথে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ে অভিযোগ করুন — আইনত এই দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই।

দূতাবাস আর কী কী সহায়তা দেয়

  • মৃত্যু সনদ অনুবাদ ও সত্যায়ন
  • বিমান বুকিং ও কার্গো প্রসেসিংয়ে সহায়তা
  • পরিবারকে প্রয়োজনীয় ধাপগুলো সম্পর্কে দিকনির্দেশনা
  • প্রয়োজনে স্থানীয় কমিউনিটির মাধ্যমে সাময়িক সহায়তার ব্যবস্থা

সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: লাশ দেশে পাঠাতে সাধারণত কত সময় লাগে?

উত্তর: সব কাগজপত্র সম্পূর্ণ থাকলে সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সম্ভব হয়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

প্রশ্ন: সৌদিতেই দাফন করতে চাইলে কী করণীয়?

উত্তর: স্থানীয় পৌরসভা ও দূতাবাসের সমন্বয়ে এটিও সম্ভব — পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দূতাবাস প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

সোর্স: Bangladesh Embassy Riyadh, Ministry of Expatriates’ Welfare
এই লেখাটি কি সহায়ক হয়েছে?
Scroll to Top