Gulfzi Header - Redesign

সৌদি আরবে বেতন ধারা এখন আইনি দলিল, নাজিজে সরাসরি অভিযোগ (৩য় ধাপ কার্যকর আগস্ট ২০২৬)

সৌদি খবর

বেতন ধারা এখন আইনি দলিল: নাজিজে সরাসরি অভিযোগ

হালনাগাদ: আগস্ট ২০২৬ | সোর্স: মাইগ্রেশন কনসার্ন (তথ্যসূত্র: সৌদি গেজেট)

সংক্ষেপে: সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও বিচার মন্ত্রণালয় যৌথভাবে ঘোষণা দিয়েছে, কর্মচুক্তিতে থাকা “বেতন ধারা” এখন আইনি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। বেতন না পেলে কর্মীরা কোনো অতিরিক্ত কাগজপত্র ছাড়াই নাজিজ (Najiz) প্ল্যাটফর্মে সরাসরি অভিযোগ করতে পারবেন।

নিয়মটি কীভাবে কাজ করে

এই ব্যবস্থা কিউয়া (Qiwa) ও নাজিজ (Najiz) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সুবিধা পেতে হলে কর্মচুক্তি অবশ্যই কিউয়া প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত থাকতে হবে এবং বিচার মন্ত্রণালয়ের ডকুমেন্টেশন সেন্টার থেকে একটি “ইমপ্লিমেন্টেশন নম্বর” নেওয়া থাকতে হবে।

পরিস্থিতিঅভিযোগের সময়সীমা
সম্পূর্ণ বেতন বকেয়া৩০ দিনের মধ্যে
আংশিক বেতন পরিশোধ৯০ দিনের মধ্যে
নিয়োগকর্তার আপত্তি জানানোর সময়অভিযোগ পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে

অভিযোগ জমা দেওয়ার পর যাচাইয়ের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে মাদাদ (Madad) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে, ফলে দ্রুত সমাধান পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাস্তবায়নের তিনটি ধাপ

৬ অক্টোবর ২০২৫ — নতুন বা হালনাগাদ করা কর্মচুক্তির ক্ষেত্রে কার্যকর।
৬ মার্চ ২০২৬ — নবায়নকৃত চুক্তির ক্ষেত্রে কার্যকর।
৬ আগস্ট ২০২৬ (সর্বশেষ ধাপ) — অনির্দিষ্ট মেয়াদি (indefinite-term) চুক্তির ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে। অর্থাৎ এখন প্রায় সব ধরনের কর্মচুক্তিই এই সুরক্ষার আওতায়।

প্রশ্নোত্তর

বেতন বকেয়া হলে প্রথমে কী করব?

কর্মচুক্তি কিউয়াতে নথিভুক্ত থাকলে, নির্ধারিত সময় (৩০ বা ৯০ দিন) পার হওয়ার পর সরাসরি নাজিজ প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ দায়ের করা যাবে — বাড়তি কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই।

আমার চুক্তি কিউয়াতে নথিভুক্ত না থাকলে কী হবে?

এই দ্রুত অভিযোগ-প্রক্রিয়ার সুবিধা পেতে চুক্তি কিউয়া প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত ও একটি ইমপ্লিমেন্টেশন নম্বরসহ থাকা আবশ্যক। নিয়োগকর্তার সাথে কথা বলে এটি নিশ্চিত করে নিন।

এই লেখাটি কি সহায়ক হয়েছে?
Scroll to Top